সময়টা ২০০৪/০৫
হবে।ক্লাস সেভেন এ পরতো ছেলেটা। ওখান থেকেই শুরু ব্যাপারটা,আমি যেটাকে বলি নিচু মানুষ
হওয়া।
কিছুদিন আগে জন্ম
নিয়েছে তার ছোট বোন।ছোট্ট পরীর মত দেখতে।সবই ঠিক ছিলো,ছিলো না ছেলেটা।তার কিশোরমন ব্যাপারটা
হয়তো মানতে পারেনি। পুরো পরিবারের আকর্ষন নতুন কে নিয়ে,তার উপর তার মাঝে থাকা ভালোবাসার
চরম কাঙ্গালীপনা। বাবা কাজ করতেন দুরের শহরে, মা চলে যেতেন নানুবাসায়।আর কেউ ছিলোও
না……।।
তখন এতো সহজ ছিলো
না সব কিছু,কম্পিউটার দূরে থাক,মোবাইল,এমপিথ্রি তো না ই, টিভি তে ডিস ও নাই।
এদিকে তার একাকিত্ত
এতদিনে প্রভাব ফেলছে তার আচরনে,অতি মাত্রা একগুয়ে,আত্তকেন্দ্রিক।টিকে থাকার মাধ্যম
তিন গোয়েন্দা,মাসুদ রানা সিরিজের কিছু বই।স্কুল কে মনে হত আজব একটা যায়গা,যেখানে কেউ
তার মত না……।ক্লাস যেয়ে শেষ আসনটায় বসে থাকা, মাথা নিচু করে,সহপাঠীদের শোকার্ত চোখ
ভয় লাগতো হয়ত ………।
বাদ দিয়ে দিলো
স্কুল যাওয়া।কাজ একটাই ,বই নিয়ে পড়ে থাকা, বাসায় নাহয় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরির একেবারে
বাম পাসের টেবিলটায়।
মন্দ ছিলোনা জীবনটা।মজার
ব্যাপার তখন থেকেই মাথায় থাকতো কয়েকটা লাইন “চলতেছি,চলবো পিপড়ে হয়ে।উইপোকা হলে আগুনে
ঝাপ দিতে হবার বুঝ চলে আসবে, আমার দরকার নাই। আমি অবুঝ হয়েই থাকতে চাই”
হ্যা এভাবেই বড়ো
হইছি আমি, বয় দা কেয়ারলেস হয়ে। তাতে কি হইসে? টিকে আছি না? আমার মত সাধারণ মানুষগুলার
ই জীবন টা সাভাবিক,সুপারস্টার হতে সাধ ছিলোনা,সপ্ন ভাঙ্গার কষ্ট নাই।আমার দাম তোরা
দিলিনা বলার কারনও নাই,আমার মুল্যায়ন হলো না তাও বলবো না……। আমি বলবো আমার যতটূকু পাওয়ার
আমি হয়তো পেয়ে গেছি, ইনাফ
আর শেষে বলবো
অভাবে থাকলেও ভালো আছি, ইদ মুবারক।দুঃখ নিপাত যাক
No comments:
Post a Comment